করোনা রোগী ছাড়ার নতুন শর্তাবলী প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

করোনা রোগী ছাড়ার নতুন শর্তাবলী প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

সোয়্যাব টেস্টে মারাত্মক সংক্রমিত অথবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উল্লেখজনক হারে হ্রাস পেয়েছে, এমন প্রমাণ না পেলে রোগীদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিল কেন্দ্রীয় প্রশাসন।

শুক্রবার এক নির্দেশিকায় করোনা রোগী ছাড়ার নতুন শর্তাবলী প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

নির্দশিকায় বলা হয়েছে, যে সমস্ত রোগীর নমুনায় খুব মৃদু, মৃদু, প্রাক-উপসর্গজনিত ও মাঝামাঝি মাত্রায় জীবাণু সংক্রমণ পাওয়া গিয়েছে, তাঁদের ডিসচার্জের আগে পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই।

অথচ এর আগে সরকারি নির্দেশেই বলা হয়েছিল যে, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় নিশ্চিত কেসগুলির ক্ষেত্রে ১৪ তম দিনে একবার এবং তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও একবার পরীক্ষা আবশ্যিক।

যদি দুই বারই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, তাহলেই সেই রোগীকে স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতাল থেকে ছাড়া যাবে।

নতুন নির্দেশিকা সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হলে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লব আগরওয়াল জানান, ‘রোগীর ক্লিনিক্যাল অবস্থা বিচার করে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশাবলী প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক।’


জানা গিয়েছে, নতুন নির্দেশাবলী ত্রিস্তরীয় স্বাস্থ্য পরিষেবাযুক্ত কেন্দ্রগুলির জন্য প্রযোজ্য হবে এবং রোগীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা অনুসারে মৃদু, মাঝারি ও মারাত্মক বিভাগে ভাগ করা হবে।

নির্দেশিকায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে, ‘মৃদু, অতিমৃদু ও প্রাক-উপসর্গজনিত রোগীদের কোভিড-কেয়ার পরিষেবার অন্তর্ভুক্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়মিত তাপমাত্রা ও নাড়ির গতি সংক্রান্ত পরীক্ষা করা হবে।

যদি তিন দিন জ্বর না থাকে, সে ক্ষেত্রে রোগীকে উপসর্গ দেখা দেওয়ার ১০ দিন পরে ছেড়ে দেওয়া যেতে পারে। ছাড়ার আগে রোগীকে আর পরীক্ষা করার প্রয়োজন নেই। ছাড়ার সময় রোগীকে বাড়িতে আরও ৭ দিন কোয়ারেন্টাইন থাকার পরামর্শ দেওয়া হবে।’

সেই সঙ্গে বলা হয়েছে, ‘যদি ছাড়া পাওয়ার পরে তাদের মধ্যে ফের জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দেয়, তাদের অবিলম্বে কোভিড-কেয়ার কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে হবে অথবা জাতীয় হেল্পলাইন নম্বর ১০৭৫ এ ফোন করে সবিস্তারে জানাতে হবে। ১৪ তম দিনে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে তাঁদের স্বাস্থ্য সম্পর্কে খবর নেওয়া হবে।’