বাদুড়িয়ায় যে পুলিশ মহিলাদের পেটালো তারা টিকিয়াপাড়ায় সে লেজগুটিয়ে দৌড় দিল কেন ?

বাদুড়িয়ায় যে পুলিশ মহিলাদের পেটালো তারা টিকিয়াপাড়ায় সে লেজগুটিয়ে দৌড় দিল কেন ?

টিকিয়াপাড়ার ঘটনা নিয়ে এবার সরাসরি রাজ্য প্রশাসন ও মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

বুধবার সন্ধ্যায় বিধাননগরের বাসভবনের সামনে দিলীপবাবু বলেন, ‘বাদুড়িয়া, বিষ্ণুপুরে যে পুলিশ জনতাকে পেটায়, টিকিয়াপাড়ায় সে লেজ গুটিয়ে দৌড় দিল কেন?’

মমতাকে দিলীপের কটাক্ষ, ‘সারা ভারতবর্ষে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে দেখেছেন, রাস্তায় নামতে? ঝাড়ু দেওয়া, চাল বিলি করা একটা মুখ্যমন্ত্রীর কাজ নয়।

যোগীকে দেখেছেন? একটা লকডাউন ভাঙুক, পুলিশ পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেবে। এখানে লাঠিই মারতে পারছে না পুলিশ। লেজ তুলে দৌড় মারছে। এই যদি পুলিশের দুরবস্থা হয়, এই পুলিশকে কে মানবে? এই পুলিশ কী করে আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করবে?’

দিলীপবাবুর দাবি, ‘তাই এখানে জেলায় জেলায় বোমা বিস্ফোরণ হচ্ছে, বন্দুকের কারখানা পাওয়া যাচ্ছে। তাই এখানে বাংলাদেশের মুজিবর হত্যাকারী ২১ বছর ধরে লুকিয়ে ছিল। তাকে শেল্টার দেওয়া হয়েছে।

রশিদ খানকে (বউবাজার বিস্ফোরণে সাজাপ্রাপ্ত জঙ্গি) ছাড়িয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে। এটা (পশ্চিমবঙ্গ) হচ্ছে যত অ্যান্টিসোশ্যাল, অ্যান্টি ন্যাশনালদের শেল্টার। কারণ পুলিশের কোনও যোগ্যতা নেই।

পুলিশ তৃণমূলের তাঁবেদারি করতে করতে মনের জোর, আত্মবিশ্বাস, বিশ্বাসযোগ্যতা সব হারিয়েছে। তার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি জায়গায় জায়গায়।‘

পুলিশের আত্মবিশ্বাস তলানিতে ঠেকার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কাঠগড়ায় তুলে রাজ্য বিজেপি সভাপতি বলেন, ‘CAA-র সময় পশ্চিমবঙ্গে সব থেকে বেশি রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে।

এই লুঙ্গিবাহিনী দিনের পর দিন উৎপাত করেছে, ট্রেন, বাস, স্টেশন জ্বালিয়েছে। তখন পুলিশ কোথায় ছিল? তখন থেকে তো পুলিশের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছে।‘

দিলীপবাবু আরও বলেন, ‘যে পুলিশ বাদুড়িয়ায় খাবারের দাবিতে আন্দোলনরত মহিলাকে লাঠি মারে।

বিষ্ণুপুরে শ্মশানে অজ্ঞাত শবদেহ দাহ করার বিরোধিতা করলে লাঠি মারে।

বাঁকুড়ার সাংসদের বিরুদ্ধে এফআইআর করে। একাধিক সাংসদকে বাড়িতে আটকে রেখে দেয়। সেই পুলিশ টিকিয়াপাড়ায় লেজ গুটিয়ে দৌড় দিল কেন?