কাল প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুখ্যমন্ত্রীদের কি আলোচনা হল দেখে নিন এক ঝলকে

কাল প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুখ্যমন্ত্রীদের কি আলোচনা হল দেখে নিন এক ঝলকে

লকডাউনে কীরকম শিথিলতা দেওয়া হবে, তা নিয়ে সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৈঠকে লকডাউন ও যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীরা নিজেদের মত প্রকাশ করেন।

pm vs state cm meeting
দেখে নিন কোন রাজ্যের তরফে কী সওয়াল করা হল –

উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ : লকডাউনের মেয়াদ লবাড়ানোর পক্ষে সওয়াল করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য লকডাউন বাড়ানো উচিত।’ তবে ট্রেন পরিষেবা নিয়ে তিনি কিছু বলেননি। (ছবি সৌজন্য এএনআই)

অসমের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল : লকডাউনের মেয়াদ আরও দু’সপ্তাহ বাড়ানো হোক। অসমে ট্রেন আসার ক্ষেত্রে ন্যূনতম এক সপ্তাহের ব্যবধান রাখতে হবে।

কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন : লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করেছেন কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তবে গ্রিন ও অরেঞ্জ জোনে বিধিনিষেধ শিথিলের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে ট্রেন চালালে গোষ্ঠীর মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়বে।’

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার : আগামী ৩১ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হোক। প্রাক্তন রেলমন্ত্রী হিসেবে ট্রেন চলাচলে অনুমতি দিতে বারণ করছি।

✓ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল : ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এ লকডাউন বাড়ানোর পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

ঝাড়খণ্ড এর মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন : লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন।

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে : সতর্কতার সঙ্গে লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। কারণ চলতি মাসের শেষের দিকে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে পারে। শুধুমাত্র জরুরি পরিষেবার জন্য মুম্বইয়ে লোকাল ট্রেন চালু হোক।

পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং : লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির পক্ষে সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। একইসঙ্গে যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবার বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তিনি।

তেলাঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও : রেল পরিষেবার অনুমতি দেওয়া উচিত নয়। কেন্দ্র উপযুক্ত কৌশল নির্ধারণ করুক এবং রেল পরিষেবা স্থগিত রাখা হোক। লকডাউন আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো উচিত।

মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান : কনটেনমেন্ট ও রেড জোনে পুরো লকডাউন থাকা উচিত। রাত্রিকালীন কার্ফু জারি করা উচিত।

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট : ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এ লকডাউন বাড়ানো হোক।

পশ্চিমবঙ্গ এর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় : শুধুমাত্র ‘কনটেনমেন্ট জোন’-এ লকডাউন বাড়ানোর সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজ্যের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনার পরই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানান। রেল পরিষেবা নিয়ে সরাসরি কিছু না বললেও ‘সব কিছুতে ছাড়’ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।